Skip to content
← All poems

মন্টু মিয়া

সন্ধি করুক জেলেনেস্কি-পুতিন, টেনিস খেলুক রোনালদো-শচীন, তাইওয়ান পাক মুল ভুখন্ড চীন, রবীন্দ্রনাথ বাজাক নাগের বীন। বৈঠকখানার ভাঙ্গা চালায় টিন, মুদির দোকানে তেত্রিশ টাকা ঋন। পাগল গুনে চার দুই এক তিন গারদ ছেড়ে বাড়ি যাওয়ার দিন। চোখে ভাসে সেই মুখ অমলিন, যার শোকে মন্টু মিয়ার গারদে যায় দিন। যার জন্য আনতে সুদিন, নিজের স্বপ্ন কইরা বিলীন, মন্টু মিয়া ঢাকাত আইছিন। এক বছর, দুই মাস আর আইজকা তিনদিন। শাড়ী, চুরি, আলতা আর সোনালী সেফটিপিন, কিন্না মন্টু রওনা দিল চৌদ্দ ই আশ্বিন। যাইয়া দেখে মন্টু মিয়া তার প্রিয় পারভীন, পরের ঘরে সংসার করে আইজ নিয়া ৬ দিন। ঘটা কইরা বিয়া হইছে বিষুদবারের দিন। মায়ে মরলো তিনমাস আগে তার নাই পারভীন। বাপের ভিটা দখল করছে মায়ের সতীন। এত কষ্ট আর মন্টু মিয়া সইতো আর কয়দিন? সকাল যায় সন্ধ্যা যায় দিনের পর দিন। মন্টু এখন ভুইলা গ্যাছে খুধা লজ্জা ঘিন। সারা গায়ে ঘুইরা কান্দে পারভীন পারভীন। এই দেইক্ষা গেরামবাসী ধইরা একদিন জোর কইরা মন্টুরে পাবনা দিয়াইছিন। সেই থাইক্কাই মন্টু মিয়ার গারদে যায় দিন। মন্টু এখন রাজার হালে বন্ধু বানায় জ্বীন। সবাই ডাকে মন্টু মিয়া পেশেন্ট চারশ তিন।

2025