বৃষ্টি
জোৎস্নায় ভাসে লাশ, শান্তির কবর শ্মশানে।
প্লুটনিয়াম, ইউরেনিয়াম, বা হাইড্রোজেন বোমা,
সব ছাপিয়ে জলে অনাথ শিশুর ছলছল চোখ।
দফায় দফায় বৈঠক হয় জলপাই পাতার,
সাদা আকাশে সাদা পায়রা অদৃশ্যই থেকে যায়।
বাগানে ফোটে টিউলিপের সাথে একে ফোরটি সেভেন,
ইস্পাতের চেইনে চলা লোহার হাতিগুলো
সুর দিয়ে বর্ষে যায় মুহুরমুহু মর্টারশেল।
দানবীয় প্লেন আর বিশাল জাহাজে চড়ে আসে
মানবাধিকার কর্মীদের ক্যমেরার খচখচ।
শান্তিতে নোবেল পায় ঘাতক সেনাপতি,
চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়ে তার সৈন্য আর যুদ্ধের সঞ্জাম।
টেডিবিয়ার জড়িয়ে বাবার লাশের পাশে শুয়ে
তারা গুনে একটি বেহেশতের ফুল।
এই ভুমিতে ফিরবে কি যিশু? আবাবিলের
পাখায় চড়ে আবার আসবে কি শান্তির সেই বৃষ্টি?