তুমি বরং
অপেক্ষায় আছি,
সেদিনের। যেদিন ভাঙ্গা বেড়ার ফাক দিয়ে
ক্লান্ত কৃষকের জীর্ণ-স্নিগ্ধ মুখে উকি দেয়া
ভোরের সূর্যের মতো তুমিও
উকি দেবে আমার জীবনে।
যেদিন হিম চূড়ার বরফগলা পানির মতো
স্বচ্ছ হবে তোমার আমার মাঝে
গড়ে উঠা অসীম দৈর্ঘ আর
ছাব্বিশ ফুট পুরু ব্যবধানের দেয়াল।
আদিবাসীদের উদ্দাম নৃত্যের মতো
সরব হয়ে উঠবে আমার প্রাঙ্গন।
তোমার আগমনের ঢংকা যেদিন বাজবে
কয়েক বছর ধরে আমার আমগাছে
বাসা বেধে থাকা
চড়ুই আর টুনটুনির কন্ঠে।
সেদিন আমিও বলবো
সাম্যের কথা। যতটুকু বেদনার তীব্রতায়
আমি মানবিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠেছি
তোমার অসুখ থেকে, ততটুকু
কষ্ট ভোগের সুখ থেকে আমি তোমাকে
বঞ্চিত করতে পারিনা। তুমি
বরং ফিরেই যাও।